• ১৩ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ৩০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নিরব ঘাতক ! স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে, বিদেশে যাবার মিশনের জোর তদবির

জামাল হোসেন
প্রকাশিত মে ১৭, ২০২৬, ০৯:৩৩ পূর্বাহ্ণ
নিরব ঘাতক ! স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে, বিদেশে যাবার  মিশনের জোর তদবির
সংবাদটি শেয়ার করুন....

এবি সিদ্দীক ভূইঁয়া : নিরব ঘাতক ! স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে, বিদেশে যাবার মিশনের জোর তদবির।সাবেক ছাত্রলীগের নেতা আওয়ামী লীগের কোটায় চাকুরী পাওয়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়! বতর্মানে বিএনপির মুখোশ পরে আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সিন্ডিকেটের সদস্যদের এখন বিদেশে যাবার মিশনের জোরালো তদবির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে। বর্তমান সচিবালয়ের কার্যক্রমকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্যই বিএনপির মুখোশ পরেছে এই আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সিন্ডিকেটের সদস্যরা এরা সকলেই সাবেক ছাত্রলীগের নেতা ও আওয়ামী লীগের পরিবারের সন্তান এবং আওয়ামী লীগের কোটায় চাকুরী পাওয়া কর্মকর্তা । রাষ্ট্র পরিচালনা করতে নানা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা এবং বিভিন্ন উপায় অর্থ উপার্জন করা তাদের প্রধান লক্ষ্যে।এরা নিষিদ্ধ আওয়ামী ফ্যাসিবাদের কোটায় চাকুরী পায় ছাত্রলীগের রাজধানীর সাথে জড়িত থাকার সুবাদে। চাকুরির পরে গোয়েন্দা দ্বারা যে তদন্ত হয় সেই প্রতিবেদনেই তা উল্লেখ রয়েছে।
এদিকে জানাযায়,আল কামার শেরপুর বয়েস কলেজে পড়াশুনা করে তার বাবাও আওয়ামীলীগের একনিষ্ঠ কর্মী ছিলেন।
আব্দুল সাত্তার ছনকান্দা
আল কামার দুই ভাই, বোনেরও সরকারী চাকরী হয়েছে।তিন মেয়ে দুই ছেলে, ১ মেয়ে হাফেজা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ২০২৫ আগষ্টের, চাকুরী হয় মাস্টার রুলে।ভাই মাধ্যমে চাকুরী হয়।পরে স্থায়ী করার আশায়।তার বড় আলমাস, আল কামার, হাজিলা, হাফিজা,হাফেজা পাচ ভাই,বোন।আনন্দ মোহন থেকে মাস্টার্স, শেরপুর সরকারি কলেজ থেকে অনার্স শেষ করে। ইন্টার মিডিয়েট ও শেরপুর থেকে।২০১৪ সালে ভোট বিহীন সরকার গঠন করে আবার ক্ষমতায় আসেন আওয়ামী লীগ।সে সময় শেরপুর জেলায় ছাত্র লীগের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করার করনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ২০১৬ সালে চাকুরী হয়।চাকুরীতে ছাত্র লীগের প্রত‍্যায়ন ও সাবেক মন্ত্রী মতিয়া চৌধুরীর সুপারিশ থাকার কারণে আওয়ামী লীগের দলীয় কোটায় চাকুরী হয়।

অন্য দিকে জানাযায়,২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে শেরপুরে ৫ জন নিহত হন। এর মধ্যে গুলিতে ও সরকারি গাড়ির চাকায় পিষ্ট হয়ে তিনজন শিক্ষার্থী (সবুজ মিয়া, মাহবুবুর রহমান ও শারদুল আশিষ) নিহত হওয়ার ঘটনাটি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

নিহতদের ধরন:শিক্ষার্থীদের মিছিলে পুলিশের গাড়িচাপায় তিনজন, গুলিতে এক ছাত্রীসহ মোট পাঁচজন নিহত হন।

মামলা ও অভিযোগপত্র:আন্দোলনরত ছাত্র হত্যার ঘটনায় দায়ের করা পৃথক মামলায় বিচারকাজ ও তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে, যেখানে অনেককে আসামি করা হয়।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রশাসনিক কর্মকর্তাআল কামার আলী এই মামলা নিয়ে বিভিন্ন তদবির বাণিজ্য করে নাম কর্তন , নাম দেয়া থেকে শুরু করে সকল কার্যক্রম চালিয়েছেন বলে তার এলাকা থেকে অভিযোগ পাওয়া গেছে।অনেক আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের নাম বাদ দেওয়ার মিশন সাকসেস হয়েছেন।বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।

শেরপুর জেলা ছাত্র দলের সভাপতি নাইম হাসান উজ্জ্বল বলেন,২০১৪ সালে ছাত্র লীগের সভাপতি মনি,সেক্রেটারী সম্রাটের কমিটির ছাত্র লীগের নেতা ছিলেন। ছাত্র লীগের প্রত‍্যায়ন ও সাবেক মন্ত্রী মতিয়া চৌধুরীর সুপারিশে চাকুরী হয়।আল কামার আলী,পিতা-হানিফ,উদ্দিন,মাতা,আলেছা খাতুন,গ্রাম ও পোস্ট- ছনকান্দা,থানা ও জেলা- শেরপুর।চাকরি-স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রশাসনিক কর্মকর্তা।

শেরপুর সরকারি কলেজ শাখার সভাপতি আব্দুল্লাহ আল কোরাইশী বলেন,আল কামার আলী আমাদের কলেজে ইংরেজি বিভাগের ছাত্র ছিলেন। তখন তিনি ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। আমাদের ছাত্র দলের ভাইদের উপর হামলা মামলার সহযোগী করেছেন। এটা সকলের জানা রয়েছে। এখন তিনি বিএনপি দাবি যদি করে থাকেন তাহলে সেটা তার কু-কর্ম ঢাকার জন্য করেছেন।

প্রসাশনিক মহলে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, বিভিন্ন বিষয়ে নিয়ে,যারা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের নিচে বঙ্গবন্ধুর কর্নার ও শেখ রাসেলের কর্নার তৈরি করে নিয়মিত ফুল দিত। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয় কল্যাণ সমিতির নামে একটি সংগঠন বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানিয়ে বঙ্গবন্ধুর স্থায়ী মূরাল নির্মাণের দাবি জানান, তখন।২০২৪ সালের ৫ আগষ্টের পরবর্তী রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর এই কর্মকর্তারা কীভাবে বিএনপির মুখোশ পরে সাবেক ছাত্র লীগের নেতারা বিএনপি সাজার চেষ্টা করে বহাল তবিয়তে রয়েছে এমন প্রশ্ন উঠেছে খোদ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে। মন্ত্রনালয়ে মতো একটি অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ণ ও রাষ্ট্রের সংবেদনশীল জায়গায় সিনিয়র সচিবের দপ্তরে বহাল রয়েছেন, সরকারের এমন একটি স্পর্শকাতর জায়গায় এখনো তাদের উপস্থিতি সত্যিই বিস্ময় এবং উদ্বেগ উভয়ই সৃষ্টি হয়েছে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক কর্মকর্তা জানান মাননীয় মন্ত্রী ও সিনিয়র সচিব মহোদয়ের দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে, মাননীয় মন্ত্রী ও সিনিয়র সচিব মহোদয়ের দৃষ্টি কামনা করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনে মহোদয় গণের সূ- মর্জি কামনার কথা জানিয়েছেন। এই চক্রের বিষয়ে এখনই ব্যবস্থা না নিলে তাদের বেপরোয়া কর্মকান্ডে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তথা সরকারের মান ক্ষুন্ন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ বিষয়ে উক্ত সিন্ডিকেটের মূল হোতা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গ্রুপে একটি মেসেজ দিয়েছেন আমরা চলি পাতায় পাতায় আমরা একেকজনের হাঁড়ির খবর জানি, তাই আমাদের কেউ কিছু করতে পারবে না। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিভিন্ন মহল থেকে এ বিষয় প্রতিকার সহ সরকারের উচ্চ মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।